চুলের যত্নে নারকেল তেলের ব্যবহার বহু যুগ ধরে প্রচলিত। প্রাকৃতিক এই তেল শুধু চুলকে নরম ও উজ্জ্বল রাখে না, বরং চুলের গোড়া মজবুত করতে এবং চুল ভাঙা কমাতেও সাহায্য করে।
চুলের যত্ন
আপনার চুলের রঙ নির্ভর করে ফলিকেলের মেলানিনের ওপর। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে চুলের ফলিকেলে মেলানিন তৈরির ক্ষমতা কমে আসে। তাই ধীরে ধীরে চুল সাদা কিংবা ধূসর হতে শুরু করে। কিন্তু অল্প বয়সে চুল পাকার নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। যেমন— জিনগত প্রভাব, স্ট্রেস, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি ও থাইরয়েডের সমস্যা।
ত্বক ও চুলের যত্নে ঘরোয়া উপাদান ব্যবহারের প্রবণতা নতুন কিছু নয়। মেথির পানি, চিয়ার পানি, জিরার পানি—এই তালিকায় এবার নতুন সংযোজন ‘দারচিনির পানি’। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সাম্প্রতিক সময়ে এই ঘরোয়া পানীয়টি কেশচর্চার একটি সহজ উপায় হিসেবে ব্যাপক আলোচনায় এসেছে।
প্রাচীনকাল থেকেই চুলের যত্নে তিলের তেল ব্যবহৃত হয়ে আসছে। আয়ুর্বেদেও এই তেলকে চুলের জন্য পুষ্টিদায়ক বলা হয়। তিলের তেল চুল ও মাথার ত্বকের গভীরে পুষ্টি জোগাতে বিশেষভাবে সাহায্য করে। তবে ভুলভাবে এই তেল ব্যবহার করলে উপকারের বদলে ক্ষতিও হতে পারে।
চুল পড়া নিয়ে দুশ্চিন্তা মানেই প্রশ্ন একটাই—মানসিক চাপ চুল পড়ার কারণ, নাকি চুল পড়ার কারণেই মানসিক চাপ বাড়ে? এই বিতর্ক যেমন আছে, তেমনই চুল ঝরা কমানোর নানা ঘরোয়া উপায়ের দাবিও ঘুরে বেড়ায় সামাজিক মাধ্যমে।
শীত হোক কিংবা গ্রীষ্ম— সারা বছরই চুলে অল্প করে তেল মালিশ করতে বলেন কেশসজ্জা ও কেশচর্চাশিল্পীরা।
চোখের নিচের কালো দাগ দূর করতে আলুর রসের বিকল্প নেই। অনেকেই এই ঘরোয়া উপায় ব্যবহার করেন।
শীতকালে চুলের নানা সমস্যা বেড়ে যায়—চুল শুষ্ক হয়ে পড়ে, খুশকি বাড়ে, রুক্ষভাব ও ভাঙার প্রবণতাও বৃদ্ধি পায়।
ফিশ অয়েল বা মাছের তেল আসে তেলযুক্ত মাছের টিস্যু থেকে। এতে থাকে ওমেগা–৩ ফ্যাটি অ্যাসিড, বিশেষ করে, ইকোসাপেনটাইনোয়িক অ্যাসিড (ইপিএ) এবং ডোকোসাহেক্সাইনোয়িক অ্যাসিড (ডিএইচএ)।
চিরুনি দিয়ে আঁচড়ালেই উঠছে মুঠো মুঠো চুল। সেসঙ্গে মাথার ত্বক হয়ে গেছে অতিরিক্ত তৈলাক্ত। হারিয়েছে চুলের জেল্লাও। এমন সমস্যাগুলো দেখা দিলে চুলের বাড়তি যত্ন নেওয়া জরুরি। শ্যাম্পু, তেল ব্যবহার করলেই চলবে না। প্রয়োজন সঠিক পুষ্টিও।